পুত্না : কৃষ্ণকে স্তনের দুধ পান করানোর ফলে তাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছিল।
তৃণাবর্ত : ঘূর্ণিবাতাসের মতো এসে কৃষ্ণকে চুরি করতে চেয়েছিলেন।
বাৎসাসুর : গোবৎস রূপে কৃষ্ণ কে হত্যা করতে চেয়েছিল।
বকাসুর : একটি বৃহদাকার অদ্ভুত পক্ষীরূপে এসে কৃষ্ণকে গোলাধকরণ করতে এসেছিলেন।
ধেনুকাসুর : গাধারূপে কৃষ্ণকে লাথি মারতে এসেছিলেন।
শকটাসুর : গরুর গাড়ি রূপে কৃষ্ণকে নিধন করতে এসেছিলেন।
শঙ্খাসুর : এক ধনী ব্যক্তিরূপে গোপীদের হরণ করতে এসেছিলেন।
অরিষ্টাসুর : বহৎ ঁষাড়রূপে কৃষ্ণকে হত্যা করতে এসেছিল।
কেশীদানব : অশ্বরূপে কৃষ্ণকে পদাঘাত করে হত্যা করতে এসেছিলেন।
ভৌমাসুর : আকাশ অসুর হিসেবে রাখাল বালকদের হরণ করতে এসেছিলেন।
কুবলয়াপীড় : কংস কুবলয়াপীড় নামক হস্তি দ্বারা কৃষ্ণ এবং বলরাম কে হত্যা করতে চেয়েছিলেন।
চাণুর , মুস্টিক , শল , কুত , তোশাল : মুষ্টি যুদ্ধে কৃষ্ণ এবং বলরামকে নিধন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তারা সকলেই কৃষ্ণ ও বলরাম দ্বারা নিধন হয়েছিল।
কংস : কৃষ্ণের জাগতিক মামা কৃষ্ণ এবং বলরামকে বিভিন্ন প্রকারে হত্যা করতে চেয়েছিল।
পঞ্চজন্য : শঙ্খের রূপ ধারন করে সান্দিপনীমুনির পুত্রকে গ্রাস করে হত্যা করেছিলেন।
মুর : পঞ্চমস্তক দৈত্য, যে তার ত্রিশূলের দ্বারা কৃষ্ণকে আঘাত করতে এসেছিল।
নরকাসুর : ১৬,০০০ মহিষীকে অপহরণ করেছিলেন।
বনাসুর : শহহস্ত বিশিষ্ট দৈত্য, যে অনিরুদ্ধকে বন্দী করেছিল।
পৌশুক : বাসুদেবের সাথে প্রতারণা করেছিল।
কাশীরাজ : পৌশুকের বন্ধু এবং কৃষ্ণকে আক্রমণ করেছিল।
সুদক্ষিণ : কৃষ্ণকে হত্যা করার জন্য দক্ষিণাজী নামক এক দৈত্যকে সৃষ্টি করেছিল, কিন্তু কৃষ্ণের কৌশলতা হেতু সে নিজেই দৈত্যটি দ্বারিা নিহত হয়েছিল।
শিশুপাল : রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণকে অপমান করেছিল এবং তার শততম অপমানের পর কৃষ্ণ তার সুদর্শন চক্র দ্বারা তার মস্তক ছিন্ন করেছিলেন।
শাল্ব : সৌর অধিপতি সাতশ দিনব্যাপী তার উড়ন্ত বিমান দ্বারা দারকা আক্রমন করেছিল।
দন্তবক্র : কুরুষের অধিপতি।
বিরূরধ : কৃষ্ণের সুদর্শন চক্র দাবারা তার মস্তক ছিন্ন করা হয়েছিল।
বৃকাসুর (ভস্মাসুর) : দেবাদিদেব শিবকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন এবং একজন সুমেধাসম্পন্ন এবং মনোহর ব্রাহ্মণ বালকের বেশে অভিনয়ের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে তাকে হত্যা করেছিল।
No comments